ঢাকা ভ্রমণ 20/08/2017


কিছু জরুরি/গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

আয়তনঃ ৩০৬.৩৮ বর্গ কিঃ মিঃ
মুদ্রাঃ টাকা
ভাষাঃ বাংলা
জনসংখ্যাঃ ৬.৯৭ মিলিয়ন

যাদুর শহর/ বাংলার প্রান ঢাকা

বাংলাদেশের রাজধানী এবং বৃহত্তম শহর ঢাকা। সাহিত্য, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির দিক থেকে বিশ্বের দরবারে মসজিদ ও মসলিনের শহর নামে ঢাকা নগরী সমাদৃত। এই প্রানের শহর ঢাকা নগরী তাই শতবর্ষ ধরে দুরের এবং কাছের অনেক পর্যটক ও ভ্রমণ পিপাসু মানুষের হৃদয় হরণ করে চলেছে।
বাংলাদেশের ঠিক কেন্দ্রবিন্দুতে ঢাকা অবস্থিত যা এখন সংস্কৃতি, শিল্প, বাণিজ্য, শিক্ষা এবং রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডেরও কেন্দ্র। মৌসুমি জলবায়ুর এই দেশে ঢাকায় সর্বদাই নাতিশীতোষ্ণ আবহাওয়া বিরাজ করে। এই শহরের বার্ষিক গড় উষ্ণতা ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, গড় বৃষ্টিপাত ১,৮৫৪ মিলি. (মে-সেপ্টেম্বর)। চাল এবং পাট উৎপাদন ও প্রক্রিয়াজাতকরণে পুরো বিশ্বে ঢাকা অন্যতম। বিভিন্ন ধর্মাম্বলির ও গোত্রের মানুষের বসবাস এই শহরে, তবু ৭০০টিরও বেশি মসজিদ ও ঐতিহাসিক নিদর্শন দেখে বোঝা যায় এখানে ইসলাম ধর্মের প্রভাব সবচেয়ে বেশি। অন্যতম বৃহত্তম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং জাতীয় জাদুঘরও এখানেই অবস্থিত।

 

দর্শনীয় স্থান

দর্শনীয় স্থান তো তাকেই বলেই যেখানে গেলেই জানা যায় দেশ ও শহরের ইতিহাস, সংস্কৃতি। কতশত অজানা তথ্য, কত লোককথা আর হৃদয় বিমোহিত করা সৌন্দর্য‌।
চলুন জেনে নেই ঢাকার দর্শনীয় স্থানগুলোর নামঃ
•    জাতীয় জাদুঘর, শাহবাগ
•    জাতীয় শহিদ মিনার, শাহবাগ
•    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
•    জাতীয় গ্রন্থাগার
•    ঢাকেশ্বরী মন্দির
•    লালবাগ কেল্লা
•    আহসান মঞ্জিল
•    জাতীয় সংসদ ভবন
•    তারা মসজিদ
•    জাতীয় বোটানিক্যাল গার্ডেন,মিরপুর
•    সোনারগাঁ
•    বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান নভোথিয়েটার
•    জাতীয় স্মৃতিসৌধ, সাভার
•    জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, সাভার
•    ধানমণ্ডি লেক
•    বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়াম, মিরপুর
•    চিড়িয়াখানা, মিরপুর
•    বলধা গার্ডেন

এছাড়াও রয়েছে অসংখ্য বিনোদন পার্ক, পিকনিক স্পট, গ্যালারী, সিনেমা হল ইত্যাদি।
বিঃদ্রঃ দর্শনীয় স্থানগুলোর বিস্তারিত তথ্য জানতে নামগুলোর উপর ক্লিক করুন।

 

খাবার/ ভোজন বিলাস
বিভিন্ন হোটেল এর পাশাপাশি রয়েছে রকমারি খাবারের রেস্তোরা, কাফে এবং শহরের প্রতিটি রাস্তায় রয়েছে লোভনীয় খাবার। ঐতিহ্যবাহী পুরান ঢাকায় লুকিয়ে আছে মজাদার এবং সুস্বাদু খাবারের সমাহার। রেস্টুরেন্ট এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য – ধানসিঁড়ি, হাজীর বিরিয়ানি, রয়্যাল রেস্টুরেন্ট এর পেস্তা বাদামের শরবত, বিউটি লাচ্ছি, চিটাগাং এক্সপ্রেস এর চুই ঝাল ইত্যাদি।

কোথায় থাকবেন?
অনেক ধরনের ভাল হোটেল রয়েছে যেখানে আপনি স্বল্প খরচে ও স্বাচ্ছন্দে থাকতে পারবেন।

লালবাগ কেল্লা
লালবাগ কেল্লা সুপরিচিত একটি মুঘল কীর্তির নিদর্শন। এর পোশাকি নাম আওরঙ্গবাদ দুর্গ। লালবাগ নামকরনের কারন এটি পুরান ঢাকার লালবাগে অবস্থিত। লালবাগ কেল্লা বুড়িগঙ্গার লাল মাটির সমৃদ্ধ তীরে অবস্থিত।

লালবাগ দুর্গের ইতিহাস
লালবাগ আওরঙ্গজেব এর তৃতীয় পুত্র শাহজাদা মুহাম্মদ আজম এর একটি অসমাপ্ত স্থাপত্য। তিনি তৎকালীন বাঙলার রাজধানী ঢাকায় থাকাকালিন এই দুর্গের কাজ শুরু করেন। তিনি ১৫ মাস বাংলায় ছিলেন। অতঃপর পিতার ডাকে তিনি দুর্গের কাজ অসমাপ্ত রেখে রাজধানী দিল্লিতে চলে যান।
শায়েস্তা খান ছিলেন তৎকালীন ঢাকার সুবাদার। তিনি দুর্গের বাকি কাজ করলেও সম্পূর্ণটা শেষ করতে পারেন নি। ১৬৮৪ সালে শায়েস্তা খেনের কন্যা ইরান দুখত(পরি বিবি) এই কেলায় মৃত্যুবরণ করেন।  পরি বিবির মৃত্যুর পর শায়েস্তা খান এই দুর্গকে অপয়া মনে করেন এবং দুর্গের বাকি কাজ সম্পূর্ণ না করেই চলে যান। লালবাগের মূল তিনটি আকর্ষণের একটি হচ্ছে পরিবিরির মাজার।
রাজধানী ঢাকা থেকে মুর্শিদাবাদ স্থানান্তরিত হলে দুর্গটি তার জৌলুশ হারায়। ১৮৮৪ সালে এই স্থানটি লালবাগ নাম পায় একই সাথে দুর্গটিও।

প্রবেশমূল্যঃ  
স্থানীয় নাগরিকঃ ২০ টাকা
সারকভুক্ত দেশের নাগরিকঃ ১০০ টাকা
অন্যান্য দেশের নাগরিকঃ ২০০ টাকা
ভ্রমনের সময়ঃ
বেড়ানোর সর্বশ্রেষ্ঠ সময় গ্রীষ্মকাল (এপ্রিল - সেপ্টেম্বর)
মঙ্গল–শনিবারঃ সকাল ১০:০০ – দুপুর ১:০০, দুপুর ১:০০ – সন্ধ্যা ৬:০০
শুক্রবারঃ সকাল ১০;০০ – দুপুর ১২:৩০, দুপুর ২:৩০ – সন্ধ্যা ৬:০০
রবিবারঃ সাপ্তাহিক ছুটি
সোমবারঃ দুপুর ১:৩০ – বিকেল ৫:০০

ঈদের ছুটি
ঈদের আগের দিন ও ঈদের দিন লালবাগ কেল্লা সবার জন্য বন্ধ থাকে। ঈদের পরদিন থেকে যথারীতি নিয়মে সবার জন্য উন্মুক্ত থাকে।
সরকারি ছুটি
যেকোনো সরকারি ছুটির দিন লালবাগ কেল্লা বন্ধ থাকে।




Get the mobile app!

Our app has all your booking needs covered: Secure payment channels, easy 4-step booking process, and sleek user designs. What more could you ask for?

ios
android
apps