TOUR TO NILGIRI 28/09/2017


নীলগিরি ভ্রমণ

নীলগিরি বা নিল গিরী বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্যটক এবং সুন্দর পর্যটন কেন্দ্র। এই রিসোর্টি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২৪০০ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত । এটি বান্দরবান শহর থেকে দক্ষিণ-পূর্বে  ৪৭ কিঃমিঃ দুরত্তে চিম্বুক পর্বত শ্রেণীতে নীলগিরি অবস্থিত এই স্থানটির পাশাপাশি আপনি মাওরা গ্রাম দেখতে পারেন। তাদের রঙিন সংস্কৃতি এবং জীবন্ত শৈলী অবশ্যই দর্শকদের জন্য একটি অপ্রত্যাশিত অভিজ্ঞতা। বর্ষাকালে এখানে একটি দর্শনীয় দৃশ্যাবলী তৈরি করে, পুরো স্থান মেঘের কম্বল দিয়ে আবৃত হয়। আপনি একটি মেঘলা অভিজ্ঞতা উপভোগ করতে পারেন। শীতকালটি আপনার পক্ষে উচ্চতার উপর ঝাপসা অঙ্গভঙ্গির সাথে অপেক্ষা করছে। এই সিজনের মধ্যে ক্যাম্পফায়ারের জন্য এটি একটি চমৎকার জায়গা। সবচেয়ে আকর্ষণীয় সময় ভোরের সূর্যোদয় দেখা। আপনি সাংগু নদী এর সার্পেন কোর্স উপভোগ করতে পারেন। এটি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর  ব্রিগেড পরিচালিত বান্দারবানের সবচেয়ে দর্শনীয় পর্যটক স্থান। মেঘের সাথে পাহাড়ের যেখানে আজন্ম বন্ধুত্ব। আকাশ ছুঁয়ে দেখার ইচ্ছা পূরণ করতে চাইলে যেতে হবে বান্দরবনের নীলগিরি। নীলগিরি গেলে আকাশ নিজে এসে ধরা দেবে আপনার হাতে। মাথার উপর নীল আকাশে সাদা মেঘের ভেলা খেলা করে নীলগিরির পাহাড়ে। অপরূপ সৌন্দর্য্যের এক নীলাভূমি এই নীলগিরি। নীলগিরির কারণে বান্দরবানকে বাংলাদেশের দার্জিলিং বলা হয়।

ঘোরার জন্য এমনি স্থানে যেতে পারেন। আর  নতুন বিয়ে করেছেন। তবে তো কথাই নেই। চলে যান নীলগিরি। যেন এক স্বপ্নরাজ্য। সমুদ্র সমতল হতে চব্বিশ শ’ ফুট উপরে আকাশের কোল ঘেঁষে নীলগিরি যেন প্রাকৃতিক সৌর্ন্দযের স্বপ্নরাজ্য। এখানে আকাশ পাহাড়ের সাথে মিতালী করে। মেঘবালিকা চুমু দিয়ে যায় পাহাড়ের চূড়ায়। হাত বাড়ালেই ছোয়া যায় মেঘের পালক। মেঘের দল এখানে খেলা করে আপন মনে। সে এক রোমাঞ্চকর অনুভূতি। মনে হবে আপনি উড়ে বেড়াচ্ছেন আকাশের বুকে মেঘের সাথে।


কিভাবে যাব


নীলগিরী যাবার পথে শৈলপ্রপাত ঝর্নাও আপনি দেখে যেতে পারেন। এই এলাকায় নেমে ঝর্নার স্বচ্ছ জলে আপনি একটু মুখ-হাত ধুয়ে নিলে যাত্রা পথের ক্লান্তি অনেক কমে যাবে।
বান্দরবন হতে মাত্র ৪৭ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই স্বর্গদ্যান নীলগিরি । পাহাড়ের গা বেয়ে উপরে ওঠা যেমন রোমাঞ্চকর, পাহাড়ে চূড়া যেন আরও বেশি। এখানে যাবার জন্য একমাত্র বাহন হলো চাঁন্দের গাড়ী। এসব চাঁন্দের গাড়ীগুলো একসাথে ২০/২৫ জন পর্যন্ত যাত্রী বহণ করে। আপনা যদি গাড়ী রিজাভ করতে চান তাহলে ভাড়া পরবে ২০০০-২৫০০ টাকা। কারণ রিজার্ভ গাড়ীতে না গেলে আপনাকে পথে অনেক ঝামেলা পোহাতে হতে পারে। যা আপনার ভ্রমনের আনন্দকে ম্লান করে দিতে পারে। গন্তব্যে পৌঁছাতে এসব গাড়ী ২-৩ ঘন্টা সময় নিতে পারে। কিন্তু অদ্ভুত সে যাত্রা। আলীকদম হতে থানচীগামী রাস্তা ধরে আপনি পৌঁছে যেতে পারেন নীলগিরি। নীলগিরি ভ্রমণে যাওয়ার পথে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর চেক পোস্টে আপনার নাম ও ঠিকানা নিবন্ধন করে যেতে হবে ।

 
কোথায় অবস্থান করবেন

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কর্তৃক পাহাড়ের শীর্ষে একটি সুন্দর ক্যাম্প অবলম্বিত রয়েছে। যা আপনাকে যে কোন সমস্যার সমাধান দিতে পারবে। ক্যাম্পে রাত্রি যাপনের জন্য আপনি এখানে ৪০০০-৭০০০ টাকা মধ্যে ভাল সজ্জিত কুটির আছে । এছারাও শহরের মধ্যে বিভিন্ন দামের এসি/ ননএসি হোটেল পাওয়া যায়। পর্যাপ্ত হোটেল থাকায় রুম পেতে কোন ঝামেলা পোহাতে হয় না। তবে পর্যটনের ভরা মৌসুমে আগেভাগে বুকিং দিয়ে আসা ভালো। এখন বেশির ভাগ আবাসিক হোটেলের সাথেই খাবারের রেস্তোরা রয়েছে। খাবার-দাবার সেরে রুমে খানিকটা বিশ্রাম নিয়ে আপনি নীলগিরীর পথে রওনা হতে পারেন। এখানে রাত ০৯ থেকে সকাল ০৯ টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ পাবেন এবং তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি থেকে ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত হতে পারে ।

বিঃদ্রঃ- গরম কাপড়-চোপড় নিতে ভুলবেন না । সঙ্গে রেইন-কোর্ট, ছাতা হলে ভাল হয় কিন্তু নীল-গিরিতে এই সব জিনিস পাত্রের এর মূল্য খুবেই কম ।

You might like




loading

Thanks for choosing Tunemytour

Please wait while we are loading

Get the mobile app!

Our app has all your booking needs covered: Secure payment channels, easy 4-step booking process, and sleek user designs. What more could you ask for?
ios
android